Myheath

 

Treatment

 

 

# আমাষা

কারণঃ সাধারণত ‘সিজেলা’ নামক জীবাণুর কারণে আমাষা হয়। আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও খাবারে এই থাকে।

 

চিকিৎসাঃ অপশন১.

বেশি বেশি বিশুদ্ধ পানি আর খাবার স্যালাইন পান করতে হবে। আর এন্টিবায়োটিক হিসেবে Metryl ও Ciprocin দুই বেলা করে ৩-৫ দিন খেতে হবে। বমির জন্য Emistat ওষুধ খেতে হবে। ঝাল ও তৈলাক্ত খাবাত পরিহার করতে হবে। বুমি বেশি হইলে এবং মুখে স্যালাইন না খেতে পারলে শিরায় স্যালাইন দিতে হবে।

 

 

অপশন ২. ডাক্তার দেখান।

 

 

 

# পাতলা পায়খানাঃ

 

কারণঃ সাধারণত ‘সালমোনেলা’ নামক জীবাণুর কারণে পাতলা পায়খানা হয়। নোংরা পানি ও খাবারের মাধ্যমে এটি ছড়ায়।

 

চিকিৎসাঃ অপশন ১. বেশি বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন পান করতে হবে। বমির জন্য Emistat আর পায়খানা বন্ধের জন্য Imotil এর সাথে Ciprocin বা Metryl বা Zimax খেতে হবে ৩ দিন। ঝাল ও তৈলাক্ত খাবাত পরিহার করতে হবে। আর শরীর বেশি দুর্বল হয়ে গেলে শিরায় স্যালাইন লাগবে। অবস্থা বেশি খারাপ মনে হলে ডায়রিয়া হাসপাতালে যেতে হবে।

 

অপশন ২. ডাক্তার দেখান।

 

 

 

 

#মাথা ব্যথাঃ

 

সব রকমের মাথাব্যথার প্রাকৃতিক চিকিৎসা –

 

আকুপ্রেশার-

বহুবছর ধরে মাথা ব্যথা দূর করতে অনেকেই আকুপ্রেশার পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছেন।এই ছোট্ট ঘরোয়া পদ্ধতিটি আপনাকে এক মিনিটের মধ্যে মাথা ব্যথা সারাতে সাহায্য করবে।

 

বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি এবং তর্জনির মাঝখানের অংশে অন্য হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনি দিয়ে চাপ দিন এবং ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। একই ভাবে ডান হাতেও করুন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আশা করা যায় এতে এক মিনিটেই মাথা ব্যথা সারবে।

 

পানি পান করুন-

একচুমুক পানি পানও আপনাকে এক মিনিটের মধ্যে মাথা ব্যথা সারাতে কাজে দেবে। যখন আমাদের শরীর আর্দ্র হতে থাকে তখন ব্যথা ধীরে ধীরে কমে।

 

লবঙ্গ-

কিছু লবঙ্গ তাওয়ার মধ্যে গরম করে নিন। গরম লবঙ্গ একটি রুমালের মধ্যে নিন। এক মিনিট এর ঘ্রাণ নিন এবং দেখুন মাথা ব্যথা চলে গেছে।

 

লবণযুক্ত আপেল-

ব্যথা যদি বেশি হয় তবে এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।এক টুকরো আপেল চিবুতে পারেন তবে এতে একটু লবণ ছিটিয়ে নেবেন। এটা দ্রুত ব্যথা মুক্ত করতে সাহায্য করবে।

 

আদা চিবুতে পারেন-

এক পিস টাটকা আদা চিবুতে পারেন এতে ৬০ সেকেন্ডে মাথা ব্যথা দূর হবে। আদা একটু বাজে গন্ধের হলেও পদ্ধতিটি কাজের।

 

হাসি খুশি মন-

অনেকেই হয় তো বিশ্বাস করবেন না, তবে মনকে যদি ইতিবাচক এবং ভালো বিষয়ের দিকে নিয়ে যান তবে মাথা ব্যথা ৬০ সেকেন্ডেই দূর হবে। চেষ্টা করেই দেখুন না!

 

 

 

মাথাব্যথার প্রকারভেদ কারণ ও চিকিৎসা

 

 

১. মাথার একপাশে: মাইগ্রেনঃ

 

যদি মাথাব্যথা আপনার মাথার একপাশে (মাথার বামপাশ অথবা ডানপাশ) অবস্থান করে এবং মাথায় ধকধকানি ও স্পন্দন অনুভূত হয়, তাহলে তা মাইগ্রেনের লক্ষণ হতে পারে।

 

ওষুধঃ অপশন ১.

প্রাপ্তবয়স্ক – Tab. Tufnil 200mg বা Napa 500mg বা Disprine(গুলিয়ে) বা Napa Extra দিনে তিনবার ভরা পেটে ব্যথা থাকা পর্যন্ত।

গর্ভবতী মায়েরা ও শিশুরা কেবল Napa খেতে পারবে।

 

 

অপশন ২. ডাক্তার দেখান।

 

 

 

 

২. মাথার চারদিক জুড়ে: টেনশন হেডেক

মানসিক চাপ বা বিষণ্নতাজনিত মাথাব্যথাকে টেনশন-টাইপ হেডেক বা দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথা বলা হয়।

 

ওষুধঃ অপশন ১.

প্রাপ্তবয়স্ক – ১টা Disprin(গুলিয়ে), ১টা Napa Extra এবং ১টা Ranitid একসাথে ভরাপেটে খেতে হবে।

 

গর্ভবতী মায়েরা ও শিশুরা কেবল Napa খেতে পারবে।

 

অপশন ২. ডাক্তার দেখান।

 

 

 

৩. মুখমণ্ডলে: সাইনাস হেডেক

যদি আপনি চোখে এবং গালে চাপ অনুভব করেন, তাহলে তা সাইনাস হেডেকের লক্ষণ বলে ধরে নিতে পারেন।

 

ওষুধঃ অপশন ১.

 

প্রাপ্তবয়স্ক – ৩দিন

1. Deslor 5mg দিনে একবার ভরাপেটে।

2. Napa Extra দিনে তিন বার ভরাপেটে।

3. Fymoxil 500mg দিনে দুই বার ভরাপেটে।

 

 

অপশন ২. ডাক্তার দেখান।

 

 

 

 

 

৪. হঠাৎ মাথার যেকোনো অংশে: থান্ডারক্ল্যাপ হেডেক

থান্ডারক্ল্যাপ হেডেকের ক্ষেত্রে মাথার ভেতর বজ্রাঘাত অনুভূত হয়। আমেরিকান মাইগ্রেন ফাউন্ডেশনের মতে, এ ব্যথা তীব্র হয়, কমপক্ষে পাঁচ মিনিট থাকে এবং আপনি হয়তো জানতেও পারবেন না কেন তা হচ্ছে। মাথাব্যথার প্রকারভেদের মধ্যে এ ধরনের মাথাব্যথা বিপদাশঙ্কার নির্দেশ করতে পারে। আপনার যদি এরকম মাথাব্যথা হয়, তাহলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন অথবা ইমার্জেন্সি রুমে যান।

 

 

 

৫. চোখের পিছনে: ক্লাস্টার হেডেক

যদি আপনি অনুভব করেন যে চোখের পিছন থেকে কোনোকিছু আপনাকে খোঁচা দিচ্ছে, তাহলে তা ক্লাস্টার হেডেকের লক্ষণ হতে পারে।

এই মাথাব্যথার ক্ষেত্রে সঠিক ডায়াগনোসিস খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মাইগ্রেনের চেয়ে এর চিকিৎসা ব্যবস্থা ভিন্ন। এটি থেকে মুক্তি পেতে আপনার ডাক্তার হাই-ফ্লো অক্সিজেন ট্রিটমেন্টের (ফেইস মাস্ক থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করা) পরামর্শ দিতে পারেন।

 

 

৬. মাথার উপরিভাগে বা মুখমণ্ডলের উপরিভাগে: অ্যালার্জি হেডেক

অ্যালার্জি হেডেক সাইনাসের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও তা ঋতুভিত্তিক হয়ে থাকে এবং অন্যান্য উপসর্গ, যেমন- রানি নোজ (ঠান্ডা বা অ্যালার্জির কারণে নাক থেকে তরল আসা), হাঁচি এবং ওয়াটারি আইজ (অ্যালার্জির কারণে চোখ থেকে পানি নিঃসরণ) দেখা দিতে পারে।

 

ওষুধঃ অপশন ১.

 

প্রাপ্তবয়স্ক – ৩দিন

1. Deslor 5mg দিনে একবার ভরাপেটে।

2. Napa Extra দিনে তিন বার ভরাপেটে।

গর্ভবতী মায়েরা ও শিশুরা কেবল Napa খেতে পারবে।

 

অপশন ২. ডাক্তার দেখান।

 

 

 

 

৭. কপাল বা মাথার একপাশে: এয়ারপ্লেন হেডেক

আকাশপথে ভ্রমণের সময় কপাল বা মাথার একপাশে কোনোকিছু বিদ্ধ হওয়া বা খোঁচা মারা প্রকৃতির ব্যথা অনুভূত হতে পারে, যাকে এয়ারপ্লেন হেডেক বলে। আকাশপথে ভ্রমণ খুব একটা কঠিন না হলেও গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, প্রতি ১২ জনে একজন লোক এয়ারপ্লেন হেডেকে ভুগে।

 

ওষুধঃ অপশন ১.

 

প্রাপ্তবয়স্ক – ৩দিন

1. Napa Extra ভরাপেটে।

বেশি পানি পান করুন।

 

গর্ভবতী মায়েরা ও শিশুরা কেবল Napa খেতে পারবে।

 

অপশন ২. ডাক্তার দেখান।

 

 

 

 

 

#সর্দি-

অপশন ১.

প্রাপ্তবয়স্ক-

1. Histacin ট্যাবলেট ভরাপেটে দিনে ৩ বার বা Deslor ট্যাবলেট দিনে ১ বার করে না কমা পর্যন্ত।

2. Napa 500mg ভরাপেটে দিনে ৩ বার।

 

গর্ভবতী মায়েরা ও শিশুরাঃ

Alatro বা Histacin এর সাথে Napa খেতে পারবে।

 

অপশন ২. ডাক্তার দেখান।

 

 

# খুসখুসে কাশিঃ

 

প্রাপ্তবয়স্ক-

অপশন ১. Ocof syrup ( 100tk.) 2 চামচ করে ৩ বার।

 

অপশন ২. Dydryl syrup (45tk.) 2 চামচ করে ৩ বার।

 

অপশন ৩. Deslor 5mg (4tk.) দিনে ১ বার।

অপশন ৪. ডাক্তার দেখান।

 

 

# কফ কাশিঃ

চিকিৎসা –

প্রাপ্তবয়স্ক-

অপশন ১: Tusca plus সিরাপ দিনে ৩ বার।

 

অপশন ২: ডাক্তার দেখান।

 

 

 

# দাতে ব্যাথা –

 

চিকিৎসা –

প্রাপ্তবয়স্ক –

অপশন ১:

রসুন: দাঁতের ব্যথা শুরু হলেই এক কোয়া রসুন চিবোতে শুরু করুন। রসুনের রসে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা যে কোনোরকম প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এতে দাঁতের ব্যথাও নিমেষে কমে যাবে। একটি কোয়ায় কাজ না হলে দুটি কোয়া থেঁতো করে ফেলে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। সঙ্গে মেশান অল্প নুন। পেস্টটা ভাল করে দাঁতের উপর লাগিয়ে দিন।

 

অপশন ২. Etorix 90mg ভরাপেটে দিনে একবার। দাঁতে ইনফেকশন থাকলে Fymoxil 500mg ভরাপেটে দিনে ২ বার।

 

অপশন ৩. ডাক্তার দেখান।

 

 

# ব্রণ

 

https://ifttt.com/applets/351577p-

 

 

# চোখ উঠা

https://www.google.com/url?sa=i&source=web&cd=&ved=2ahUKEwjO3-Dl863gAhUSXSsKHWmJASsQzPwBegQIARAC&url=https%3A%2F%2Fwww.ntvbd.com%2Fhealth%2F38165%2F%25E0%25A6%259A%25E0%25A7%258B%25E0%25A6%2596-%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%25A0%25E0%25A6%25B2%25E0%25A7%2587-%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2580-%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25AC%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25A8&psig=AOvVaw3_M72I-AdiVj8fZERVEmBZ&ust=1549776043744807

 

 

 

 

#চোখের অঞ্জলি সমস্যা

 

ডাক্তারি ভাষায় এটির নাম কালেজিয়ান। এই সমস্যা সাধারণত অপরিষ্কার হাতে চোখ ধরা অথবা চোখের পাতার কোনও গ্ল্যান্ডে তেল জমে বন্ধ হয়ে যাবার কারণে হয়ে থাকে। সমস্যাটি খুব বড় কোনও সমস্যা নয়। কিন্তু এর থেকে চোখে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়া বা পুঁজ পড়ার যন্ত্রণাও ভোগ করতে হয়।

 

চিকিৎসা –

অপশন ১.

চোখে গরম ভাপ নেয়া- প্রাথমিকভাবে চোখে গরম ভাপ নিলে এই যন্ত্রণা থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে পারেন। একটি নরম পরিষ্কার কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে ভালো করে চিপে নিন। এই গরম ভেজা কাপড়টি আক্রান্ত চোখের ওপরে আলতো চেপে ধরে রাখুন ৫ মিনিট। প্রতিদিন ৩-৪ বার করুন ঠিক না হওয়া পর্যন্ত।

 

অপশন ২. ব্যথা কমিয়ে রাখার জন্য প্রাপ্তবয়স্ক লোকেরা Flexi 100mg ও Ranitid খেতে পারেন। খেয়াল রাখবেন সাদা হয়ে গেলে ময়লা ভের করে নিবেন।

 

 

# নখের সমস্যা –

https://www.priyo.com/articles/নখের-৩টি-সমস্যা-ও-সহজ-ঘরোয়া-সমাধান

 

 

# দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করা

 

https://www.google.com/url?sa=i&source=web&cd=&ved=2ahUKEwjbrOL4-K3gAhXWXCsKHSnTCAMQzPwBegQIARAC&url=https%3A%2F%2Fwww.ntvbd.com%2Fhealth%2F40118%2F%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%2581%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%259F%25E0%25A7%2587-%25E0%25A6%25AD%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25AC-%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%2582%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%25AA%25E0%25A6%25BE%25E0%25A7%259F&psig=AOvVaw0_lco6KpG4jmXDE3qvSYrJ&ust=1549777425670844

 

 

 

 

 

Treatment 1

 

 

# টনসিলাইটিস

 

কারণঃ

টনসিলের প্রদাহ বা টনসিলাইটিস সাধারণত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং কিছু মিউনোলজিক্যাল কারণে হয়। বিটা হিমোলাইটিক স্টেপটোকোকাস ব্যাকটেরিয়া, সাইটোমেগালো ভাইরাস, এডেনো ভাইরাস- এ রোগ সৃষ্টির অন্যতম।

 

লক্ষণঃ

টনসিলাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির গলায় খুসখুস ভাব, খাবার

গিলতে সমস্যা ও ব্যথা লাগা, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন হওয়া, মুখে দুর্গল্পব্দ হওয়া, কান ব্যথা, মাথাব্যথা, জ্বর, খিঁচুনি, গলার নিচে লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া, শরীর ব্যথা, ক্লান্স্নি ভাব, নাকডাকা উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক টনসিলের ওপর সাদা, হলুদ দাগ অথবা ছাই বর্ণের আবরণ দেখা যেতে পারে।

 

 

 

করণীয়ঃ

এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। তবে ঠান্ডা পানি নয়। কুসুম গরম পানিতে খাবার লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করা যেতে পারে। ঠান্ডা পানীয় ও আইসক্রিম পুরোপুরি পরিহার করতে হবে।

 

চিকিৎসা –

প্রাপ্তবয়স্ক –

অপশন ১.

1. Flamex 400mg ভরাপেটে দিনে ২ বার, ব্যথা থাকলে।

2. Fymoxil 500mg ভরাপেটে দিনে ২ বার, ৫-৭ দিন।

 

অপশন ২. নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ দেখান।

 

 

অপারেশন –

এই সমস্যা বারবার হলে ডাক্তার অপারেশন করার পরামর্শ দিতে পারে।

 

 

# প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ায় করণীয়

কারণঃ

মূত্রথলির প্রদাহের উপসর্গ হচ্ছে, বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া, প্রস্রাব করার সময় জ্বালা অনুভূত হওয়া, মাঝে মধ্যে তলপেটে ব্যথা হওয়া, কখনো কখনো পরিমাণে কমে গিয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় প্রস্রাব হওয়া। এ অবস্থা সৃষ্টি হলে প্রস্রাবের রঙ ধোঁয়াটে ও দুর্গন্ধযুক্ত হতে পারে। প্রস্রাব করে আসার পর পরই আবার প্রস্রাবের বেগ অনুভব করাও রোগের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।

 

চিকিৎসা –

প্রাপ্তবয়স্ক –

অপশন ১.

1. Tab. Flexi 100mg ভরাপেটে দিন ২ বার, ব্যথা ও জ্বালাপোড়া থাকলে।

2. Tab. Zimax 500mg ভরাপেটে দিনে ১ বার, ৭ দিন।

3. লেবুর শরবত।

 

অপশন ২. ইউরোলোজী বিশেষজ্ঞ দেখান।

 

 

 

# একজিমা-

এটি এক ধরণের খারাপ এলার্জি।

 

করণীয় –

এলার্জির সমস্যা করে এমন খাবার খাবেন না।

 

চিকিৎসা –

প্রাপ্তবয়স্ক –

অপশন ১.

1. Betnovate N ক্রিম দিনে ২ বার মাখুন।

2. Cynocort ইঞ্জেকশন মাসে ১টি।

 

 

অপশন ২. চর্ম বিশেষজ্ঞ দেখান।

 

 

 

# দাদ বা রিংওয়ার্ম

কারণ –

ছত্রাকের কারণে দাদ হয়ে থাকে। সাধারনত ভেজা বা স্যাঁতস্যাঁতে জায়গা এবং ভালোভাবে আলোবাতাস পায় না এধরনের জায়গায় ছত্রাকের জন্ম হয়।

অপরিস্কার অপরিচ্ছন্নতা, আটসাট অন্তর্বাস ব্যবহার করলে, অপরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করলে।

সংক্রামক ব্যক্তির কাপড়, গামছা, তোয়ালে ব্যাবহার করলে দাদ হতে পারে।

 

 

লক্ষণ-

দাদ হলে প্রথমে আক্রান্ত স্থানে ছোট লাল গোটা হয় এবং সামান্য চুলকায়। পরে আক্রান্ত স্থানে বাদামী বর্ণের আইশ হয় এবং স্থানটি বৃত্তাকারে বড় হতে থাকে। এটি দেখতে অনেকটা চাকার মতো যার কিনারাগুলো সামান্য উঁচু হয়।

 

চিকিৎসা –

প্রাপ্তবয়স্ক –

 

অপশন ১.

1. Flugal 50mg (শরীরের ওজন কম হলে) বা Flugal 150mg ( ওজন বেশি হলে) ভরাপেটে দিনে ১ বার ১৪ দিন।

2. অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ক্রিম যেমন Ring গার্ড দিনে ২ বার মাখতে হবে কুসুম গরম পানি দিয়ে দুয়ার পর।

 

অপশন ২. চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখান।